[story] ✅ অভিমান ✅
লেখক: SMsudipBD About 2020s ago |
"""অভিমান"""
-----রুহুল আমিন------
-কোথায় গিয়েছিলে??(আমি)
-বড় আপার বাড়িতে(
পরি)
-কেনো??
.jpg)
-তোমার আপা ডাকছিলো তাই
-আমাকে বলছিলা??
-বলতে হবে কেনো,,আপার বাড়ি কি অনেক দুর নাকি?
-এখনি উড়তে শিখছো?গেছো ভালো কথা আম্মুর গোছল এর পানি তুলে রাখনি কেনো??
-আমি জানি ১২টার আগেই ফিরবো।আর উড়তে শিখেছি মানে কি?
-মুখে মুখে তর্ক করবানা বলে দিলাম
-আমি তর্ক করছি?আর আমি যদি আজ না যেতাম তোমার বড় আপা তোমার কাছেই বিচার দিতো যে বড়দদের কথা শোনে না।আর যখন এই ভয়ে গেলাম আমি তখন তুমি আর তোমার মায়ের মাথায় রক্ত উঠলো।আসলে তোমাদের আগে পিছে যেতে নাই।
-ঠাসসসস,,(দিলাম এক টা চর)কি বললা তুমি?আমার আর আমার মায়ের মাথায় রক্ত উঠলো মানে কি??তুমি যে গেছো আমাকে বলে যাওনি আর মায়ের গোছলের পানি তুলে রাখনি।
-তাই বলে মারতে হবে আমাকে(গালে হাত দিয়ে)
-মারবো না মানে আজ যদি মায়ের কিছু হতো?বৃদ্ধা মানুষ একা একা টিউবয়েল চারতে গিয়ে অঙ্গান হয়ে পরে ছিলো।ঠিক সময়ে আমি বাসায় না আসলে যদি কিছু হয়ে যেতো?
-তো আমি কি করবো তোমার আপা-ই তো দেরি করালো।আর এ জন্য তুমি আমার গায়ে হাত তোলার সাহস পাইলা।
-ঠাসসা(আর একটা দিলাম)সাহস মানে?মাথার মধ্যে কি কিছু আছে নাকি বুদ্ধি সব গুলিয়ে খাইছো?
-যাদের মাথার মধ্যে কিছু আছে তাদের বিয়া করলেই পারতে।
-ঠিক বলছো তাই করা লাগতো।
-তো আমাকে ধরে আছো কেনো?
-আমি তো তোমাকে ধরে রাখিনি
-তাই?? ওকে থাকো আমি আজকেই চলে যাচ্ছি
-যাও ধরে রাখছে কে তোমাকে
,,
[IMG]https://dl4.wapkizfile.info/ddl/d27995efd52e03c0ff294ed7cc992904/smsudipbd+wapkiz+mobi/oviman-(smsudipbd.wapkiz.mobi).jpg[/IMG]
এই বলেই সার্ট টা শরিরে জরিয়ে বেরিয়ে পরলাম।মনটা খারাপ তাই সিংড়িয়া নদির তীরে বসে আছি।মন খারাপ থাকলেই এই নদির তীরে বসে থাকি।
এতো ক্ষন যার সাথে ঝগরা হলো সে আমার বিয়ে করা বউ।নাম পরি,হ্যা পরির মতোই সুন্দর।মাত্র ৮মাস হলো বিয়ে করেছি। ভালোবাসার কমতি নেই।তবে এখনি স্বাধিন ভাবে চলে।
আজ মায়ের কিছু হলে ওকে কখনই ক্ষমা করতাম না।
ও বড় লোকের মেয়ে তাই বলে কি ওকে শাসন করা যাবে না?এতে সাহস এর কি আছে।
আমার কথা বলি,,,,
আমি এক হতভাগা,নাম রুহুল আমিন।পরালেখা শেষ করে চাকরির জন্য ঘুরতেছি।তবে চাকরি নামক সোনার হরিন আমার কপালে নাই হয় তো।
তবে এখনো বাবার চাকরির টাকা দিয়েই চলে আমাদের পরিবার ও আমার পকেট।
এসব ভাবতেই সন্ধ্যা হয়ে গেলো।নামাজ পরে বাজার থেকে মায়ের জন্য ওষুধ নিলাম।আর পরির জন্য লেক্সাস বিস্কিট নিলাম।
ওর আবার এই বিস্কিট পছন্দ।যতই ঝগড়া হোক পরীকে আমি সত্যিই জিবনের থেকেও বেশি ভালোবাসি।কখনো দ্বিধাদন্দে পরে যাই ও আমাকে বেশি ভালোবাসে নাকি আমি ওকে বেশি ভালোবাসি।
আর আমরা দুজন মিলে মাকে ভালোবাসার প্রতিযোগিতা করি।
,,
না পরীর শরিরে হাত তোলা ঠিক হয়নি।বউ টার রাগ ভাঙ্গানোর জন্য একটা বেলি ফুলের মালাও কিনলাম।
ভাবছি কেমনে তার রাগ ভাঙ্গানো যায়।ভাবতে ভাবতেই বাড়িতে আসলাম।
,,
ঘরে ঢুকেই নির্বাক আমি,,পরীর একটা কাপর ও নেই ঘর ও এলোমেলো।বেলি ফুলের মালাটা আর বিস্কুটের প্যাকেট টা টেবিল এএ রেখে মায়ের রুমে গেলাম।
-মা ও মা
-হুম বাপ জান শুনতেছি
-পরী কোথায়?
-ও তো চলে গেছে
-মানে? তোমাকে বলে গেছে?
-হুম,তুই পরীর গায়ে হাত তুলছিলি কেনো?মেয়েটা কান্না করতে করতে চলে গেলো
-কার সাথে গেলো
-রাজিব কে ফোন দিছিলো(আমার সালা)
-ওহ আচ্ছা এই ওষুধ গুলো খাও।
-খাবো না আগে বউ মাকে এনে দে
-আচ্ছা আগে খাও ওষুধ আজ তো রাত হলো কাল যাবো সকালে।
-তুই আর বউ মাকে বকবি না।কতো লক্ষি একটা মেয়ে।ও বাড়িতে না থাকলে বাড়িটাই অন্ধকার মনে হয়।
-আচ্ছা মা আনবো।অযুর পানি রাখলাম এশার নামাজ পরে ঘুমাও।
,,,
আমার রুমে আসলাম।বুক টা মোচর দিয়ে উঠলো পরীটা অভিমান করে যে চলে গেলো ও তো জানেই ওকে ছারা আমার ঘুম আসে না।😭😭
রাতে অনেক বার ফোন দিলাম।অভিমানি টা ফোন বন্ধ করে রাখছে।সারা রাত আর ঘুম হলো না।
পরের দিন বিকালে পরীকে আনতে গেলাম।
-আসসালামু আলাইকুম,মা কেমন আছেন(শাশুরি)
-ভালো আছি বাবা তুমি কেমন আছো?
-আলহামদুলিল্লাহ।মা পরী কোথায়?
-ও তো কাল রাত থেকে ঘর থেকে বের হচ্ছে না খাবার ও খাইতেছে না।কি হয়েছে বাবা আবার ঝগড়া হইছে?
-না মা তেমন কিছু না।
-যাও বাবা ওর রুমে যাও
,,
পরীর রুমের কাছে গেলাম।অভিমানি টা দরজা বন্ধ করে বসে আছে।দরজায় টোকা দিলাম,,,,
-দরজা খুলবানা?
-(নিশ্চুপ)
-কি হলো পরী দরজা খোলো
-আপনি কেনো আসছেন?
-তোমাকে নিয়ে যাবো
-আমি আর কোনো দিন ও ঐ বাড়ি যাবো না।
-প্লিজ দরজা খোলো।সরি সরি আর হবে না।দরজা খোলো।
,,
অনেক ডাকলাম সে দরজা খুললোই না।পরীর মা ও ডাকলো দরজা খুললো না।রাত হলো।পরীর মা বললো কয়েকদিন থাকুক রাগ ভাঙ্গলে আসিও বাবা।মা একা বাসায় তাই চলে আসলাম।
মাকে সব বললাম।মার মনটাও খারাপ হলো।তবুও বললো ১ সপ্তাহ পরে যাস বাবা।কিছুদিন থাকুক অনেক দিন হলো যায় না।ও রাগ করে থাকার মেয়ে না।
,,,
,,,
রুমে আসলাম।কোনো মতেই ঘুম ধরে না।বুকের ভিতর শূন্যতা অনুভব করছি।তাকে ছারা যে আমার চলবে না সে কি জানে??জানবে কি করে আমার বুকের ব্যাথাটা তো সে দেখতেছে না।
তারে ফোন দিলেও ফোন ধরে না।এ ভাবে কয়েকদিন গেলো।এ কয়দিনে জিবনটাই এলোমেলো হয়ে যাওয়ার উপক্রম।তার অবহেলা মেনে নিতে পারতেছি না।হয়তো খুব ভালোবাসি।তাই এমন হচ্ছে।
,,
এক সপ্তাহ পর পরীকে আনতে গেলাম।
এইবার পরীর রাগ টা হয়তো একটু কমেছে।রাতে খাওয়ার টেবিলে শশুর মশাই বললো,,
-তো জামাই বাবা চাকরির খবর কি?
আমি উত্তর দেওয়ার আগেই পরী বললো
-ফকিরের আবার চাকরি।
,,
কথাটা শুনে বুকটা চিন চিন করলো।গলা দিয়ে আর খাবার নামলো না।হ্যা এটা আমার ব্যার্থতা যে চাকরি পাই না।তাই বলে কাছের মানুষটাও খোচা মারা কথা বললো।সবার সামনেই ছোট করলো আমাকে।
,,
রাতে পরীর রুমে জায়গা হলো।পরী দেখলাম নিচে বিছানা করছে।
-কি ব্যাপার নিচে বিছানা পারো কেনো?
-আমি ঘুমাবো
-এক সাথে খাটে ঘুমাই?
-আমার ইচ্ছা নাই আপনার সাথে একি বিছানায় ঘুমানোর।
বুকটা মোচর দিলো।প্রিয় মানুষ গুলোর সামান্য কিছু কথা কলিজায় লাগে।এতো দিন হলো তবুও অভিমান কমেনি।
-আচ্ছা তুমিই খাটে ঘুমাও। তোমার আবার ঠান্ডা লাগবে।আমিই নিচে ঘুমাই।
-পরী আর কিছু না বলে খাটে ঘুমালো।
-আমি নিচে ঘুমানোর চেষ্টা করলাম তবে সারা রাত এপাশ ওপাশ করলাম।পরীর কেমনে এতো পাল্টে গেলো।ও না আমাকে ভালোবাসে।যদিও আমাদের পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়েছে তবে ভালোবাসার কমতি ছিলো না আজও কমতি নেই,তবে অভিমন হয়েছে।তবে এখন কেনো জানি দুরত্ব টাও বাড়তেছে
,,
,,
পরের দিন পরী কে নিয়ে বাড়ির পথে রওনা হলাম।বুঝলাম সে আসতে চায় না বাধ্য হয়ে আসতে হলো তার।আসার পথে একটা কথাও বললো না।
,,
আজ আবার বাড়িটা মায়ের ভাষায় আলোকিত হলো।সেটা আমিও বুঝলাম মায়ের মুখ দেখে।
,,
বাজার থেকে এসে রাতে দেখলাম পরী মেঝে তে বিছানা করে শুয়ে আছে।তার যে কেনো এতো অভিমান বুঝি না আমি।ভালোবাসার থেকে অভিমান বেশি হলে পূর্বের গল্পের মতো ভালোবাসা হারিয়ে ফেলতে পারি।
,
-শোনো,,,(আমি)
-বলেন
-আপনি করে বলো কেনো?
-আমার ইচ্ছা
-রাতে খাইছো?মা খাইছে?
-হুম
-আমাকে রেখেই খাইলা?আগে এক সাথে না খাইলে তো তোমার পেট ভরতো না
-ক্ষুদা লাগলে কি খাবনা?
-হুম খাবা না কেনো
,,মন খারাপ করে না খেয়েই ঘুমানোর চেষ্টা করলাম খাটে।না পরীকে ছারা ঘুম ধরে না।পরী নিচে ঘুমিয়ে আছে।
,,,
মাঝ রাতে আমিও পরীর কাছে পরীকে পিছন থেকে জরিয়ে ধরে তার ঘারে মাথা গুজে দিলাম।
হঠাৎ,,,, ঠাসস করে গালে চর পরলো।হুম যা ভাবছেন তাই,,,পরি আমাকে চর মারলো
,,,
-সমস্যা কি আপনার??লজ্জা করে না??ইচ্ছা হলো আর কাছে টেনে নিয়ে নিজের ক্ষুদা মিটালেন আর ইচ্ছা হলো ছেরে দিলেন।সব ছেলেরাই এক রকম।
-তেমাকে ছারা ঘুম ধরে না তাই,,
-আমাকে ছারা নাকি আমার দেহ ছারা ঘুম ধরে না
-সত্যি আমি কিছুই করার ইচ্ছা ছিলো না।আমি শুধু জরিয়ে ধরে ঘুমাতে চাইছি।
-চেনা আছে আপনাকে
-আমি অনেক খারাপ তাই না?
-,,,(নিশ্চুপ)
তাকে আর দিষ্টাব করলাম না। বাহিরে চলে আসলাম। কলিজাটা ছিরে যাচ্ছে।রাত প্রায় ১২ টা।হুহু করে দক্ষিনা বাতাশে আর ঝিঝি পোকার ডাকে শরিরের লোম খারা হলে।
আজ নিজেকে খুব ছোট মনে হচ্ছে পরীর কাছে।ইচ্ছা মতো নিশ্চুপে চোখের অশ্রু গরিয়ে পরছে।
বুকে ব্যাথা হচ্ছে।ইসস ভালোবাসার মানুষের দেওয়া কষ্ট সহ্য করা যায় না। পরী আমার ভালোবাসাটা বুঝলো না।
,,,
কতোক্ষন হলো যে বাহিরে বসে আছি নিজেও জানি না।পিছনে কারো পায়ের আওয়াজ পেলাম।
তাকিয়ে দেখি পরী দারিয়ে আছে।অন্ধকারেও তাকে পরীর মতোই লাগতেছে।
-ঘুমাবেন না?(পরী)
-চোখের পানিটা চুরি করে অন্ধকারেই মুছে স্বাভাবিক হয়ে বললাম তুমি ঘুমাও। ভালো লাগছে না আমার।
-আসেন তারা তারি
-তুমি যাও
-আপনি বাহিরে থাকলে আমার ঘুম হবে না
-কেনো?
-জানি না
-ওহহ
-চলেন ২ টা বাজে ঘুমান
-কথা না বলে রুমে এসে খাটে এক পাশ হয়ে শুয়ে পরলাম।
,,
পরী নিচের বিছানা গুছিয়ে আমার পাশে এসে শুয়ে পরলো।তবে কথা বললো না।
,,,
পরের দিন সারা দিন বন্ধু বান্ধবের সাথে কাটালাম।তার দেওয়া কষ্ট ভুলে থাকার জন্য।তার সামনে থাকলেই নিজেকে ছোট মনে হয়।
রাতে একি বিছানায় ঘুমালাম তবে তার দিকে ফিরেও তাকাইনি।কথাও হলো না দুজনের মাঝে।
,,,
পরের দিন ইন্টারভিউ ছিলো। সকালেই চলে গেলাম রংপুর।জানি চাকরি হবে না তাও গেলাম।
ইন্টারভিউ ও খারাপ হলো।কারন ঘরেই নাই শান্তি।রাতে বাড়ি ফিরলাম। তবে পরীকে পরিক্ষা করার জন্য বুদ্ধি বের করলাম যে সে আমাকে কতোটুকু ভালোবাসে সেটা জানার জন্য।
,,
বাড়ি ফেরার পথে ২কেজি মিষ্টি নিয়ে ফিরলাম। মাকে সব প্ল্যানের কথা বললাম ফোনে।
,,,
বাড়িতে আসার পর পরী আমার মুখের দিকে একবার মিষ্টির প্যাকেটের দিকে একবার তাকালো,,,তারপর চিৎকার দিয়ে বললো,,,
-তুমি চাকরি পাইছো?
-হুম, অনেক কষ্টের পর পেলাম।
-মা মা ও মা আপনার ছেলে চাকরি পাইছে
-চিল্লানো লাগবে না মাকেই আগে বলছি যে চাকরি পাইছি।
-তাতে কি আমি কি মন খারাপ করবো নাকি
-আর হ্যা চাকরি আমার হইছে।তবে সিলেটে জয়েন হইছি কাল সকালেই চলে যাবো।আর ওখানে একাই থাকতে হবে।মা কে দেখে রাখিও।
-এটা শুনে পরীর মুখটা ফ্যাকাসে হলো।
রাতে ক্লান্তির কথা বলে ঘুমালাম তার সাথে আর কথা বললাম না।একটি কষ্ট দিয়ে দেখি।
,,,
সকালে আমার নাটক শুরু,,, ব্যাগটা গুছিয়ে যখনি ঘর থেকে বের হবো পরী আমার পা ঝাপটে ধরলো।
-কি হলো পা ধরলা কেনো?
-তোমার চাকরি করতে হবে না।বাবার কাছে টাকা নিয়ে ব্যাবসা করবা।আমি বাবার কাছে টাকা চাইবো।
-তোমার বাবার টাকা কেনো নিবো আমি??
-তোমার মাকে আমি মা করে বলি তাহলে আমার বাবার কাছ থেকে টাকা নিতে পারবা না কেনো তুমি?
-না আমার চাকরি করতে হবে।
- না তুমি আমাকে ছেরে কোথাও যাবা না
-আমি যাবোই
-না প্লিজ। আমি থাকতে পারবো না
-যেতে হবে আমাকে
-গেলে আমার লাশের উপর দিয়ে যাও
-ঠাসস করে একটা থাপ্পর লাগিয়ে বুকে জরিয়ে নিলাম।
-পরী ইচ্ছা মতো কেদে আমার বুক ভিজিয়ে ফেলছে।তাকে কাদতে দিলাম।নিজের চোখেও পানি আবিষ্কার করলাম।
,,,পরি জানে না যে আমার চাকরি হয়নি😃 মিথ্যাটা গোপনই থাকুক।তবুও ভালোবাসায় আকড়ে বাচতে চাই।
,,
-কিরে মিটমাট হলো?(মা)
-হুম মা।তুমি এখন যাও তো
-হাহাহা আচ্ছা। আজ ৪ কেজি মিষ্টি আনবি।
-আচ্ছা
পাঠক ভাই আপনারাও এখন জান।আমি একটু আমার কাল্পনিক নাইকার সাথে পেম করি।মুখ মিষ্টির দাওয়াত রইলো,,,,,
Tag: othersdiscusionlife storyall poemsharelove storylife storywapkiz codetutorial tag codetutorial tag code
পোস্টটি কেমন লেগেছে তা জানাতে একদম ভুলবেন না !
মন্তব্য 0 টি আছে।
Need Login or Sing Up
কোন মন্তব্য নেই।